[PDF] Geography Notes : The Earth, Latitude & Longitude in Bengali | Parmar SSC Fatman + Lucent

📂Download PDF & Print 3

Parmar SSC Fatman + Lucent-এর Geography Notes PDF: The Earth, Latitude & Longitude in Bengali ডাউনলোড করুন। এই নোটস SSC, Railway, WBCS, UPSC এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য উপযোগী।

পৃথিবী (THE EARTH)

পৃথিবীর আকৃতি

• পৃথিবীর আকৃতি জিওয়েড (Geoid) বা অবলেট স্ফেরয়েড (Oblate Spheroid)। অর্থাৎ পৃথিবী উপরে ও নিচে সামান্য চাপা এবং মাঝখানে স্ফীত।

কারণ: পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ বল (Centrifugal Force)

পৃথিবীর ব্যাসার্ধ

বিষুবীয় ব্যাসার্ধ: 6378 km

মেরু ব্যাসার্ধ: 6357 km

গড় ব্যাসার্ধ: 6371 km

পৃথিবীর পরিধি

মেরুবৃত্তীয় পরিধি: 40,007.863 km

বিষুবীয় পরিধি: 40,075 km

গড় পরিধি: 40,040 km

• বিষুবীয় গতি > মেরু গতি

• বিষুবীয় ব্যাসার্ধ > মেরু ব্যাসার্ধ

• বিষুবীয় পরিধি > মেরুবৃত্তীয় পরিধি

• (পৃথিবী বিষুবরেখা বরাবর স্ফীত এবং মেরু অঞ্চলে চাপা হওয়ার কারণে)

23½° N – কর্কটক্রান্তি রেখা

পৃথিবীর আবর্তন (Rotation of Earth)

• পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে (ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে) আবর্তিত হয়।

পৃথিবীর একবার আবর্তন = 23 hours 56 minutes 4 seconds

• আবর্তনের গতি বিষুবরেখায় সর্বাধিক এবং মেরু অঞ্চলে সর্বনিম্ন।

• পৃথিবীর আবর্তনের ফলেই দিন ও রাত হয়।

পৃথিবীর পরিক্রমণ (Revolution of Earth)

• পৃথিবী সূর্যের চারদিকে উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পরিক্রমণ করে।

একবার পরিক্রমণ = 365 days 6 hours 9 minutes 9 seconds

কক্ষীয় গতি = 29.8 km/sec

বুধ (Mercury) গ্রহের কক্ষীয় গতি সর্বাধিক।

নেপচুন (Neptune) গ্রহের কক্ষীয় গতি সর্বনিম্ন।

• পৃথিবীর সূর্যকে কেন্দ্র করে পরিক্রমণ এবং অক্ষের হেলনের কারণে ঋতু পরিবর্তন ঘটে।

সূর্য ও চন্দ্র থেকে পৃথিবীর দূরত্ব

সূর্য

• কোনো গ্রহের কক্ষপথে সূর্যের সবচেয়ে নিকটবর্তী বিন্দুকে উপসূর (Perihelion) বলে।

3rd January পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে নিকটে অবস্থান করে (147 million km)।

• কোনো গ্রহের কক্ষপথে সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী বিন্দুকে অপসূর (Aphelion) বলে।

4th July পৃথিবী সূর্য থেকে সবচেয়ে দূরে অবস্থান করে (152 million km)।

চন্দ্র

• চন্দ্রের কক্ষপথে পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী বিন্দুকে অনুভূ (Perigee) বলে।

• অনুভূ অবস্থায় চাঁদ আকাশে তুলনামূলক বড় দেখায়।

• চন্দ্রের কক্ষপথে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরবর্তী বিন্দুকে অপভূ (Apogee) বলে।

• অপভূ অবস্থায় চাঁদের জোয়ার সৃষ্টিকারী বল কম থাকে এবং জোয়ারের ব্যাপ্তি স্বাভাবিকের তুলনায় কম হয়।

পৃথিবীর অক্ষের হেলন

অক্ষীয় হেলন (Axial Inclination) = 23½°

কক্ষীয় হেলন (Orbital Inclination) = 66½°

অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ (LATITUDE AND LONGITUDE)

Latitude Longitude Earth

অক্ষাংশ (Latitude)

• এগুলি পৃথিবীর উপর পূর্ব থেকে পশ্চিম দিকে বিস্তৃত কাল্পনিক অনুভূমিক রেখা।

• এটি বিষুবরেখা থেকে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব।

মোট অক্ষাংশ = 181

• প্রতিটি অক্ষাংশের মধ্যবর্তী দূরত্ব সমান।

1° অক্ষাংশ = 111 km

গুরুত্বপূর্ণ অক্ষাংশসমূহ

0° – বিষুবরেখা (Equator)

23½° N – কর্কটক্রান্তি রেখা

66½° N – সুমেরুবৃত্ত (Arctic Circle)

23½° S – মকরক্রান্তি রেখা

66½° S – কুমেরুবৃত্ত (Antarctic Circle)

• বিষুবরেখা থেকে মেরু পর্যন্ত সমান্তরাল সকল বৃত্তকে অক্ষাংশের সমান্তরাল রেখা (Parallels of Latitude) বলা হয়।

বৃহত্তম অক্ষাংশ: বিষুবরেখা

ক্ষুদ্রতম অক্ষাংশ: উত্তর ও দক্ষিণ মেরু

দ্রাঘিমাংশ (Longitude)

• এগুলি পৃথিবীর উপর উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে বিস্তৃত কাল্পনিক উল্লম্ব রেখা।

• প্রতিটি দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী দূরত্ব বিষুবরেখা থেকে মেরুর দিকে কমতে থাকে।

• মেরুতে এই দূরত্ব 0, আর বিষুবরেখায় সর্বাধিক (111.32 km)।

মোট দ্রাঘিমাংশ = 360

গুরুত্বপূর্ণ মধ্যরেখা

প্রধান মধ্যরেখা (Prime Meridian) = 0° Longitude

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line) = 180° Meridian

• প্রধান মধ্যরেখাকে গ্রিনিচ মধ্যরেখা (Greenwich Meridian) বা আন্তর্জাতিক মধ্যরেখা বলা হয়।

এটি নিম্নলিখিত দেশগুলির উপর দিয়ে অতিক্রম করে—

• যুক্তরাজ্য

• ফ্রান্স

• স্পেন

• আলজেরিয়া

• মালি

• বুর্কিনা ফাসো

• ঘানা

• টোগো

মনে রাখার কৌশল

BSF GAme in TOGO KINGDOM

দ্রাঘিমার সাহায্যে সময় নির্ণয়

360° = 24 hours

15° = 1 hour

1° = 4 minutes

• পৃথিবী 1 hour-এ 15° ঘোরে।

• পৃথিবী 4 minutes-এ 1° ঘোরে।

• প্রধান মধ্যরেখা থেকে পূর্ব দিকে গেলে প্রতি 15°-এ সময় 1 hour বৃদ্ধি পায়।

• প্রধান মধ্যরেখা থেকে পশ্চিম দিকে গেলে প্রতি 15°-এ সময় 1 hour কমে যায়।

সময় অঞ্চল (Time Zones)

• পৃথিবীকে 24টি Time Zone-এ ভাগ করা হয়েছে।

ফ্রান্সের সর্বাধিক 13টি Time Zone রয়েছে।

রাশিয়ার 11টি Time Zone রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের 6টি Time Zone রয়েছে।

আইসোক্রোন (Isochrones)

• কোনো সাধারণ কেন্দ্র থেকে সমান ভ্রমণ সময়বিশিষ্ট স্থানগুলিকে সংযুক্তকারী রেখা।

আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (International Date Line)

• এটি প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে অতিক্রান্ত একটি কাল্পনিক আঁকাবাঁকা রেখা, যেখানে তারিখ পরিবর্তিত হয়।

• পূর্ব থেকে পশ্চিমে (যেমন Japan থেকে USA) অতিক্রম করলে 1 day বিয়োগ হয়।

• অর্থাৎ একজন ব্যক্তি 1 day লাভ করে এবং বিপরীত দিকে গেলে 1 day হারায়।

মহাবৃত্ত (Great Circle)

• কোনো গোলকের উপর অঙ্কনযোগ্য বৃহত্তম বৃত্তকে মহাবৃত্ত বলে।

• এটি পৃথিবীকে দুটি সমান গোলার্ধে বিভক্ত করে।

• সব দ্রাঘিমারেখাই মহাবৃত্ত।

• শুধুমাত্র বিষুবরেখা (0° Latitude) একমাত্র অক্ষাংশ যা মহাবৃত্ত।

অক্ষাংশের ব্যবহার

জলবায়ুবিদ্যা (Climatology)

• তাপমাত্রা অঞ্চল

• বায়ুচাপ বলয়

• গ্রহীয় বায়ুপ্রবাহ ব্যবস্থা

অবস্থান নির্ণয়

• গোলার্ধ নির্ধারণ

• পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে বিভক্ত করা

গোলার্ধ (Hemisphere)

বিষুবরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে বিভক্ত করে।

প্রধান মধ্যরেখা পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে বিভক্ত করে।

অয়ন ও বিষুব (SOLSTICE AND EQUINOX)

অয়ন (Solstice)

• বছরে দুইবার সংঘটিত এমন জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক ঘটনা যখন সূর্য আকাশে তার সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন অবস্থানে পৌঁছায়, ফলে বছরের দীর্ঘতম বা ক্ষুদ্রতম দিন সৃষ্টি হয়।

গ্রীষ্ম অয়ন (Summer Solstice)

21st June সংঘটিত হয়।

• উত্তর গোলার্ধের দীর্ঘতম দিন।

• সূর্যের লম্ব রশ্মি কর্কটক্রান্তি রেখার উপর পড়ে।

• উত্তর গোলার্ধ অধিক তাপ পায়।

• উত্তর মেরুতে টানা 6 months সূর্যালোক থাকে।

শীত অয়ন (Winter Solstice)

22nd December সংঘটিত হয়।

• উত্তর গোলার্ধের ক্ষুদ্রতম দিন ও দীর্ঘতম রাত।

• সূর্যের লম্ব রশ্মি মকরক্রান্তি রেখার উপর পড়ে।

• দক্ষিণ গোলার্ধ অধিক তাপ পায়।

• দক্ষিণ মেরুতে টানা 6 months সূর্যালোক থাকে।

বিষুব (Equinox)

• এ সময় দিন ও রাত প্রায় সমান হয়।

• কোনো মেরুই সূর্যের দিকে হেলানো থাকে না।

Vernal or Spring Equinox – 21st March

Autumnal or Fall Equinox – 23rd September

গ্রহণ (ECLIPSES)

সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse)

• চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করে।

• চাঁদের ছায়া পৃথিবীর উপর পড়ে।

• এটি শুধুমাত্র অমাবস্যা (New Moon / Amavasya)-এর সময় ঘটে।

চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse)

• পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে অবস্থান করে।

• পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে।

• এটি শুধুমাত্র পূর্ণিমা (Full Moon / Purnima)-এর সময় ঘটে।

রক্তিম চাঁদ (Red Moon)

• পৃথিবী সূর্যের আলোকে বাধা দিলে আলোর প্রতিসরণের কারণে নীল আলো (যা বেশি বিচ্ছুরিত হয়) হারিয়ে যায় এবং লাল আলো (যা কম বিচ্ছুরিত হয়) চাঁদে পৌঁছায়।

নীল চাঁদ (Blue Moon)

• একই ক্যালেন্ডার মাসে 2টি Full Moon হলে তাকে Blue Moon বলা হয়।

সূর্যগ্রহণের প্রকারভেদ

• Partial Eclipse

• Annular Eclipse

• Total Eclipse

সুপারমুন (Supermoon)

• পূর্ণিমার সময় চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে।

• তখন চাঁদ স্বাভাবিকের তুলনায় বড় দেখায়।

সিজিগি (Syzygy)

• সূর্য, চাঁদ এবং পৃথিবী একই সরলরেখায় অবস্থান করলে তাকে Syzygy বলে।

উষ্ণ, নাতিশীতোষ্ণ ও শীতল অঞ্চল

উষ্ণমণ্ডল (Torrid Zone)

• পৃথিবীর উষ্ণতম অঞ্চল।

• সূর্যের লম্ব রশ্মি সরাসরি পড়ে।

Tropic of Cancer এবং Tropic of Capricorn-এর মধ্যবর্তী অঞ্চল।

নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চল (Temperate Zone)

Tropic of CancerArctic Circle-এর মধ্যবর্তী অঞ্চল।

Tropic of CapricornAntarctic Circle-এর মধ্যবর্তী অঞ্চল।

• সূর্যের তির্যক রশ্মি প্রাপ্ত হয়।

শীতল অঞ্চল (Frigid Zone)

• পৃথিবীর শীতলতম অঞ্চল।

• এখানে 6 months দিন ও 6 months রাত থাকে।

Arctic Circle (66½° N)-এর উত্তরে অবস্থিত।

Antarctic Circle (66½° S)-এর দক্ষিণে অবস্থিত।

জোয়ার-ভাটা (TIDES)

জোয়ার-ভাটা

• সমুদ্রের জলস্তরের পর্যায়ক্রমিক উত্থান ও পতন।

• চাঁদ ও সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণের ফলে সৃষ্টি হয়।

• জোয়ার-ভাটা 2 প্রকার

মরা কটাল (Neap Tides)

• পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য পরস্পরের সাথে সমকোণে অবস্থান করে।

• জোয়ারের উচ্চতা কম হয়।

ভরা কটাল (Spring Tides)

• পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে।

• জোয়ারের উচ্চতা বেশি হয়।

📂Download PDF & Print 3